11

মধ্য শাবানের ফযিলত।

আম্মাজান আয়িশা

মারদূদ

মারফু’

57

সনদ :

حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ سَهْلٍ، ثنا عَمْرُو بْنُ هَاشِمٍ الْبَيْرُوتِيُّ، ثنا سُلَيْمَانُ بْنُ أَبِي كَرِيمَةَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ

মতন:

عَنْ عَائِشَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا قَالَتْ: كَانَتْ لَيْلَةُ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ لَيْلَتِي، فَبَاتَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عِنْدِي فَلَمَّا كَانَ فِي جَوْفِ اللَّيْلِ فَقَدْتَهُ فَأَخَذَنِي مَا يَأْخُذُ النِّسَاءَ مِنَ الْغَيْرَةِ فَتَلَفَّعْتُ بِمِرْطِي، أَمَا وَاللَّهِ مَا كَانَ مِرْطِي خَزًّا وَلَا قَزًّا وَلَا حَرِيرًا وَلَا دِيبَاجًا وَلَا قُطْنًا وَلَا كَتَّانًا، قِيلَ: وَمِمَّ كَانَ يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ؟ قَالَتْ: كَانَ سَلَاوهُ شَعَرًا وَلُحْمَتُهُ مِنْ أَوْبَارِ الْإِبِلِ، قَالَتْ: فَطَلَبْتُهُ فِي حُجَرِ نِسَائِهِ فَلَمْ أَجِدْهُ، فَانْصَرَفْتُ إِلَى حُجْرَتِي فَإِذَا بِهِ كَالثَّوْبِ السَّاقِطِ عَلَى وَجْهِ الْأَرْضِ سَاجِدًا وَهُوَ يَقُولُ فِي سُجُودِهِ: «سَجَدَ لَكَ سَوَادِي وَخَيَالِي وَآمَنَ بِكَ فُؤَادِي، هَذِهِ يَدِي وَمَا جَنَيْتُ بِهَا عَلَى نَفْسِي، يَا عَظِيمُ يُرْجَى لِكُلِّ عَظِيمٍ، اغْفِرِ الذَّنْبَ الْعَظِيمَ، سَجَدَ وَجْهِي لِلَّذِي خَلَقَهُ وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ» ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ فَعَادَ سَاجِدًا فَقَالَ: " أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَأَعُوذُ بِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ، أَقُولُ كَمَا قَالَ أَخِي دَاوُدُ عَلَيْهِ السَّلَامُ: أُعَفِّرُ وَجْهِي فِي التُّرَابِ لِسَيِّدِي، فَحَقٌّ لَهُ إِنْ سَجَدَ " ثُمَّ رَفَعَ رَأْسَهُ فَقَالَ: «اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي قَلْبًا مِنَ الشَّرِّ نَقِيًّا لَا كَافِرًا وَلَا شَقِيًّا» قَالَتْ: ثُمَّ انْصَرَفَ فَدَخَلَ مَعِي فِي الْخَمِيلَةِ وَلِي نَفَسٌ عَالٍ فَقَالَ: «مَا هَذَا النَّفَسُ يَا حُمَيْرَاءُ؟» فَأَخْبَرْتُهُ فَطَفِقَ يَمْسَحُ بِيَدِهِ عَنْ رُكْبَتِي وَيَقُولُ: «وَبِئْسَ هَاتَيْنِ الرُّكْبَتَيْنِ مَاذَا لَقِيَتَا فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ النِّصْفِ مِنْ شَعْبَانَ، يَنْزِلُ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ إِلَى السَّمَاءِ الدُّنْيَا فَيَغْفِرُ لِعِبَادِهِ إِلَّا لِمُشْرِكٍ أَوْ مُشَاحِنٍ

অনুবাদ:

একবার ১৫ ই শা’বানের রাতে আমার পালা ছিলো। রাসূলুল্লাহ সা: আমার কাছে শুয়েছিলেন। মধ্যরাতের পর আমি রাসূলুল্লাহ সা: কে বিছানাতে পেলাম না। ফলে আমি ঈর্ষান্বিত হলাম, যা একজন নারীর প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য। আমি চাদর পরিধান করলাম। আল্লাহর ক্বসম! ঐ চাদর না উলের ছিলো, আর না সিল্কের ছিল। আর না রেশম ছিলো আর না দিবাজ (রেশমিবস্ত্র) ছিল। আর না কার্পাসের ছিলো, আর না কাতানের ছিল, আর না পশমি ছিলো। জিজ্ঞাসা করা হলো: ইয়া উম্মাল মু’মিনীন! ঐ কাপড় কিসের তৈরী ছিল? তিনি বললেন: সেটা ভেড়া ও উটের লোম দ্বারা বোনা ছিল। আমি নবী সা: কে অন্যান্য বিবিদের ঘরে খোঁজ করলাম। সেখঅনেও তাঁকে পেলাম না। আমি নিজের ঘরে ফিরে আসলাম। সেখানে মাটিতে তাঁর কাপড় পরা দেখলাম। আর তিনি সা: তখন সিজদাতে ছিলেন ও এই দুআ পড়ছিলেন: سَجَدَ لَكَ سَوَادِي وَخَيَالِي وَآمَنَ بِكَ فُؤَادِي، هَذِهِ يَدِي وَمَا جَنَيْتُ بِهَا عَلَى نَفْسِي، يَا عَظِيمُ يُرْجَى لِكُلِّ عَظِيمٍ، اغْفِرِ الذَّنْبَ الْعَظِيمَ، سَجَدَ وَجْهِي لِلَّذِي خَلَقَهُ وَشَقَّ سَمْعَهُ وَبَصَرَهُ» অত:পর নবী সা: মাতা তুললেন ও বললেন: أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ، وَأَعُوذُ بِمُعَافَاتِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْكَ، أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ অত:পর সিজদা করলেনও বললেন: «اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي قَلْبًا مِنَ الشَّرِّ نَقِيًّا لَا كَافِرًا وَلَا شَقِيًّا» নবী সা: সিজদা থেকে ফারেগ হয়ে আমার চাদরের সাথে ঘেষে বসলেন। সে রাতে আমার শ্বাস বেড়ে গেলো। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন: ইয়া হুমায়রা! তোমার শ্বাস এমন হচ্ছে কেন? আমি তাকে সবকিছু বললাম। তিনি সা: আমার হাটুতে হাত স্পর্শ করে বললেন: এই দুটি হাটুর জন্য আফসোস, যে এই রাতটি পেলো না। এই রাতে আল্লাহ তাআলা আকাশে নামেন। তিনি মুশরিক ও শত্রুতা-বিদ্বেষ পেশনকারী ছাড়া সমস্ত বান্দাকে ক্ষমা করে দেন।

তাখরীজ:

আদ দুআ লিত্ব-ত্বাবারানী হা: ৬০৬।

হুকুম:

যঈফ।

হাদীসটি সম্পর্কে নুকতা:

1

হাদীসের রাবী সুলাইমান বিন আবী কারিমাহ মুনকারুল হাদীস।

সুলাইমান বিন আবী কারিমাহ